প্রবাসীর পৈতৃক জমি দখল।
প্রবাসীর পৈতৃক জমি দখল, প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, জোরপূর্বক বাড়ি দখলের চেষ্টা।
নরসিংদী রায়পুরায় বাঙাল নগর, উত্তর মির্জানগর প্রবাসী আরিফুল ইসলাম মুন্না, পিতাঃ নজরুল ইসলাম এর পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন, রায়পুরা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক সানজারুল কবির জহির।
নরসিংদীতে প্রবাসীর জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে রায়পুরা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়কের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
নরসিংদী প্রতিনিধি:নরসিংদীতে রায়পুরা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক সানজারুল কবির জহিরের বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর ১১ শতাংশ জমি দখল ও পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ পৈত্রিক ১১ শতাংশ জমি ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী আরিফুল ইসলাম মুন্না।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলাম মুন্না জানান, তার বাবার সরলতার সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা জহির দীর্ঘ ৮ বছর পূর্বে তাদের জমিতে দোকানঘর তুলে ব্যবসা পরিচালনা শুরু করে। কিন্তু আরিফুলের পিতা মারা যাওয়ার পর সে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে ঐ জমি তার নিজের বলে দাবি করে জবরদখল করে রাখে।সম্প্রতি প্রবাসী আরিফুল ইসলাম দেশে ফিরে নিজের জমিতে ব্যবসা শুরু করার উদ্দেশ্যে ঘরটি খালি করে দিতে বললে, জহির উল্টো ওই ১১ শতাংশ জমি তার নিজের বলে দাবি করেন।
এ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ-দরবার হলেও অভিযুক্ত জহির স্বীয় দাবির পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পারা সত্ত্বেও তিনি জোরপূর্বক জমি দখল করে রেখেছেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এ বিষয়ে রায়পুরা থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। উল্টো অভিযুক্ত জহির ভুক্তভোগী আরিফুল ও তার চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। এমনকি সন্ত্রাসী বাহিনী ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এলাকায় মহড়া দিয়ে প্রবাসী আরিফুল ও তার পরিবারের সদস্যদের মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।
গতকাল শুক্রবার সকালে ছাত্রলীগ নেতা জহির তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে পুনরায় বিতর্কিত জমিতে নতুন স্থাপনা নির্মাণ করতে যান। ভুক্তভোগীরা এতে বাধা দিলে তাদের ঘরবাড়িতে হামলা চালানো হয়। বর্তমানে জহির ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলাম পরিবার নিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।







